1000

Choose a permanent solution for an underprivileged family.

Choose a permanent solution for an underprivileged family.
সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের জন্য  স্থায়ী সমাধান বেছে নিন। 

donate once, support a family forever.
একবার ডোনেট করুন, একটি পরিবারকে সারাজীবনের জন্য সাহায্য করুন।

১,০০০ সুবিধাবঞ্চিত কিন্তু কর্মঠ এবং বর্তমানে কিছু কাজ করছে এবং তা দীর্ঘ মেয়াদে। উদাহরণ স্বরুপ, যে ৫/১০ বছর ধরে রিকশা চালায় বা ভ্যান চালায়। অথবা যে মা ছোট্ট একটা চায়ের দোকান আছে বা ছিল, যে সেলাই মেশিনের কাজ জানে কিন্তু কোন কারনে সেলাই মেশিন নেই অথবা কাজ না পাওয়ায় বিক্রি করে দিতে বাধ্য হয়েছে। অথবা চরের যে বাবা বা মা হাস মুরগি, গরু লালন পালন করে অথবা আগে ট্রাক্টর ছিল এখন নেই কিন্তু সে মাইলের পর মাইল জমি চাষ করা অভিজ্ঞতা আছে এমন সুবিধাবঞ্চিত পরিবার গুলোকে ঘুরে দাঁড়াতে পাশে দাঁড়াতে এই উদ্যোগ।

RIKSA Project শুনলেই স্বাভাবিক ভাবেই মনে হয় এটা বুঝি শুধু রিকশা দেয়ার কোন উদ্যোগ, আসলে কিন্তু তা না । এটার ফুল মিনিং দেখলেই বোঝা যায় RIKSA (Rehabilitation Idea Key for Sustainable Activity) অর্থাৎ দীর্ঘ মেয়াদে স্থায়ী পরিবর্তন আনতেই এই উদ্যোগ । স্বাবলম্বীকরন এই উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা শুধু পরিবারগুলোকে সহযোগিতা করছি না, মূলত এই পরিবারগুলোতে পড়াশোনা করছে এমন শিক্ষার্থী যে কোন ক্লাসের, এবং মজার ইশকুলের হতে পারে আবার বাহিরেরও হতে পারে অর্থাৎ পরিবারের এক বা একাধিক সদস্যের পড়াশোনাও নিশ্চিত করছি।

এই প্রোজেক্টের কোন কিছু বিক্রি করে দেয়ার কোন অনুমতি দেয়া হয় না, সারা বছর নিয়মিত মনিটরিং এবং রিপোর্ট মেইনটেইন করা হয়। যাকাতের টাকার আওতায় পেলেও এর অপব্যবহার যাতে না হয় তা আমরা নিশ্চিত করতে কাজ করি।
Donate Now
01

যাকাতের টাকায় রিকশা দিন, একটি পরিবারের স্থায়ী পরিবর্তন আনুন

সফলতার গল্প বলি,উপরের ছবির রিকশাটা ২০১৮ সালের শেষ দিকে দেয়া হয়েছিল আলাল নামের একজন রিকশা চালককে, যিনি ভাড়ায় রিকশা চালায় অনেক বছর ধরে। তার ২ ( দুই ) মেয়ে মজার ইশকুলে বিনামূল্যে পড়ে, ক্লাস ফাইভ ও ওয়ানে। রিকশা চালিয়ে, নিজের ধারের ও লোনের টাকা পঋশোধ করে , ২০২০ সালে এখন ২ টা রিকশার মালিক। নিজে ১ টি চালায়, অন্যটি ভাড়া দেয়। সারা বছর আমাদের সঠিক মনিটরিং করার ফল এটি। আমরা তাদের রিকশা ভ্যান দেই যাদের আসলেই প্রয়োজন এবং আমরা দীর্ঘ বছর ধরে চিনি। এতে সুবিধাবঞ্চিত পরিবার যেমন স্বাবলম্বী হয়, সন্তানদের পড়াশোনাও নিশ্চিত হয়। সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটে । জীবন বদলে দেয়া যায় যাকাতের টাকায়।

কত টাকা লাগে একটি রিকশা দিতে / কিনতে ? মে ২০২০ সালে একটি নতুন রিকশার খরচ ২০,৫০০ টাকা ( বিশ হাজার পাঁচশত টাকা ) / ( or 250 USD ) ।

যাকাতের টাকায় কি রিকশা দেয়া যাবে ? হ্যাঁ যাবে । যেহেতু একটি পরিবার স্বাবলম্বী হবে এবং মুসলিম পরিবারে দেয়া হবে সেহেতু যাকাত এখানে দেয়া যাবে ।

প্রথম খাতঃ ফকীর- ফকীর হলো সেই ব্যক্তি যার নিসাব পরিমাণ সম্পদ নেই। যে ব্যক্তি রিক্তহস্ত, অভাব মেটানোর যোগ্য সম্পদ নেই, ভিক্ষুক হোক বা না হোক, এরাই ফকীর। যে সকল স্বল্প সামর্থ্যের দরিদ্র মুসলমান যথাসাধ্য চেষ্ট করা সত্ত্বেও বা দৈহিক অক্ষমতাহেতু প্রাত্যহিক ন্যায়সঙ্গত প্রয়োজনটুকু মেটাতে পারে না, তারাই ফকীর। কারও মতে যার কাছে একবেলা বা একদিনের খাবার আছে সে ফকীর।

ষষ্ঠ খাতঃ ঋণগ্রস্থ- এ ধরণের ব্যক্তিকে তার ঋণ মুক্তির জন্য যাকাত দেয়ার শর্ত হচ্ছে- সেই ঋণগ্রস্থের কাছে ঋণ পরিশোধ পরিমাণ সম্পদ না থাকা।

আপনার যেকোন প্রশ্ন / আগ্রহ / কৌতূহল বা জিজ্ঞাসা থাকলে ফোন করুণ +880 17 8888 6904 or Inbox m.me/mojarschool2013 or email:: ed.mojarschool@gmail.com
সরকারী নির্দেশনা ও ইসলামী ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ যে ৮ টি খাতে যাকাত দিতে পাড়া নিশ্চিত করেছে তা জানতে ক্লিক করুণ
02

সেলাই মেশিন প্রোজেক্ট, মায়েদের জন্য

৩টা সেলাই মেশিন কেনা হলো, মায়েদের জন্য
বাবাদের যেহেতু আমরা রিকশা দিচ্ছিলাম, চারিপাশ থেকে অনুযোগ অভিযোগ আসছিল মায়েদের সেলাই মেশিন আমরা কেন দেই না।

সমস্যা হচ্ছে আমরা যে কাজই করি তার দীর্ঘ মেয়াদী প্ল্যান থাকে, ডোনেশনের টাকা মানে যাচ্ছে তাই করা না। একটা মেশিন হলেই কেউ কিন্তু আয় করতে পারবে না। একটা মেশিনের আগে প্রয়োজন প্রশিক্ষণ, তারপর কাপড় কেনার মূল ধন। এরপর বাজার, যেখানে নিয়মিত বিক্রি, বিক্রির কথা আসলেই আসবে কোয়ালিটি, কোয়ালিটি না থাকলে কেউ কিন্তু বানাবে না, ফলে মেশিন বিক্রির মত ঘটনা ঘটাও অমূলক নয়। ৫/১০ টা সেলাই মেশিন কিনে পেইজে ছবি দিলাম লাইক, হাততালি সব পাওয়া যাবে কিন্তু ফলাফল কি হবে? জিরো!

আমাদের ভাবনা যখন অনেক জটিল, মায়েরা দিলেন সমাধান। কি সমাধান?

যারা কাজ জানে ইতিমধ্যে তাদের ১ টা মেশিন দেন। যেহেতু কাজ জানে কোন কারনেই হোক এখন সেলাই মেশিন নাই তারা বিক্রির বাজারও জানে। মজার ইশকুল থেকে বিভিন্ন বড় দোকানে যুক্ত করে দিলে যে অর্ডার পাওয়া যাবে তা হচ্ছে বোনাস। এমন ১০০ জনের ১ টা তালিকা করলাম আমরা। এখন মিশন রিকশার পাশাপাশি এই সেলাই গুলো মায়েদের হাতে তুলে দেয়া।

আজকে ৩ টা সেলাই মেশিন কিনেও ফেললাম আমরা, দ্রুত হস্তান্তর করা হবে।

এই পরিবার গুলোকে আমরা সাপোর্ট দিতে চাই এই কারনে যে, এরা শুধু আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী ই হবে না, সন্তানের পড়াশোনাও নিশ্চিত করতে পারবে। কমবে পথশিশু।

কত টাকা দিলে হবে?
1. মেশিনের দাম ৭,০০০ টাকা। ওরিজিনাল Singer Machine. 12 Years warranty.
2. একটু বেটার প্রশিক্ষণ ৩,০০০ টাকা ( ৩ মাস শিখবে) .
3. মূল ধন ৫,০০০ টাকা। কাপড় কেনার জন্য।
মোট ( ৭,০০০ টাকা + ৩,০০০ টাকা + ৫,০০০ টাকা) = ১৫,০০০ টাকা।


তবে আপনি চাইলে শুধু ৭,০০০ টাকাই দিতে পারেন মেশিনের দাম।

https://odommobangladesh.org.bd/riksa/
03

RIKSA

প্রজেক্টের নামঃ RIKSA (Rehabilitation Idea Key for Sustainable Activity)

প্রজেক্টের লক্ষ্যঃ
শিক্ষার্থীদের ইশকুলে পড়া নিশ্চিত করার জন্য পরিবারকে স্বাবলম্বী করে তোলা।

প্রজেক্টের উদ্দেশ্যঃ
১। শিক্ষার্থী বাবা অথবা মা অথবা বাবা-মা উভয়ের জন্য একটি আয়ের উৎস তৈরী করা।
২। পরিবারের আর্থিক সমস্যার কারণে শিক্ষার্থীকে কাজে দেওয়া বা গ্রামে পাঠানোর মাধ্যমে পড়ালেখা বন্ধ করে দেওয়ার প্রবণতা কমানো।

প্রজেক্টের বিবরণঃ
পথশিশু মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে মজার ইশকুল একটি অদম্য বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের উদ্দ্যোগ ২০১৩ সাল থেকে বিগত প্রায় ৭ বছর ধরে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে কাজ করে আসছে।

ঢাকা ও মনপুরায় (ভোলা) মজার ইশকুলের ৮ টি শাখার মধ্যে ৪টি শাখা (স্থায়ী ইশকুল) জাতীয় শিক্ষাক্রমানুসারে বিনামূল্যে ৭০০ জন সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে শিক্ষা প্রদানের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বাকি ৪টি শাখা খোলা আকশের নিচে পরিচালিত ইশকুল, যেখানে মাসে প্রায় ১,৩০০ এর অধিক শিশুর কাছে পৌঁছাতে পারছি আমরা।

স্থায়ী ইশকুলের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা নিশ্চিত ইশকুলের পক্ষ থেকে গুনগত শিক্ষা নিশ্চিত এর পাশাপাশি অন্যান্য আরও অনেক পারিপার্শ্বিক অবস্থার উপর নির্ভর করে। শিক্ষার্থীর পড়ালেখার উপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে বাবা-মায়ের আয়ের উৎস বা কর্মক্ষেত্র। স্থায়ী ইশকুলের তথ্য উপাত্ত যাচাই করে দেখা যায়, বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর অভিভাবক এর আয়ের উৎস স্থায়ী নয়, কাজের স্থায়িত্বকাল ০৩-০৬ মাস এরপর কাজ না পেলে বেকার বসে থাকা। কিন্তু ৪-৬ জনের পরিবার চালানোর আয়ের উৎস ১ বা ২ জন হলে, সে বেকার বসে থাকলে চলা দায়। আর তখনই শিক্ষার্থী ও তার মাকে সহ গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়ার প্রবণতা বাড়ে। মূলত এভাবেই শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার সম্বাবনার সৃষ্টি হয়।

উক্ত সমস্যা সমাধানে মজার ইশকুল শিক্ষার্থীদের অভিভাবক বাবা ও মা উভয়েকে স্বাবলম্বী করে শিক্ষার্থীদের ইশকুলে পড়ালেখা নিশ্চিক করে তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার জন্যই মূলত মজার ইশকুলের RIKSA (Rehabilitation Idea Key for Sustainable Activity) প্রজেক্ট। প্রজেক্টিকে ২ ভাগে ভাগ করে পরিকল্পনা করা হয়েছে –

১। বাবা অভিভাবকদের জন্য রিক্সা ও ভ্যান প্রজেক্ট এবং
২। মা অভিভাবকদের জন্য সেলাই মেশিন প্রজেক্ট।

Image
21 Rikshaw Distribution Corona Pandemic, Odommo Bangladesh Better Stories Employment Project
Image
Chief Guest Kabir Bin Anwar Sir & Executive Director - Odommo Bangladesh Foundation Arian Arif & Others
Image
Odommo Bangladesh Better Stories Employment Project #26 #Two_Goat
Image
Odommo Bangladesh Better Stories Employment Project #27 #Two_Sheep
Image
Odommo Bangladesh Better Stories Employment Project #31 #Two_Sheep
Image
Odommo Bangladesh Better Stories Employment Project #29 #Two_Goat
Image
Odommo Bangladesh Better Stories Employment Project #30 #Two_Goat
Image
Odommo Bangladesh Better Stories Employment Project #32 #Two_Goat
Image
Odommo Bangladesh Better Stories Employment Project #28 #Two_Goat
Image
Odommo Bangladesh Better Stories Employment Project #33 #Two_Goat
Image
Odommo Bangladesh Better Stories Employment Project #34 #Two_Goat
Image
Odommo Bangladesh Better Stories Employment Project #35 #Two_Goat
RIKSA Project Update

RIKSA Project Update

Download Riksa Project, Last Updated: 28 June 2020
How This Project Works ?

How This Project Works ?

We Believe in the system. Sometimes we believe in the proverb, slow and steady with race . and same time if the need takes "Right Time Right Decision", We don't Delay. That's why our step takes some time and a multi-level cross-checking process to ensure our project sustainability and proven one that this small step has a great impact.
  • কেন RIKSA প্রজেক্ট?
  • কারা RIKSA প্রোজেক্টের সুবিধাভোগী?
  • মজার ইশকুল কেন RIKSA প্রজেক্ট পরিচালনা করছে?
  • কিভাবে সুবিধাভোগী নির্বাচন করা হয়? (যাচাই-বাছাই ১ম ধাপ)
  • প্রদানকৃত স্বাবলম্বী হওয়ার সাপোর্ট যে কাজে লাগাতে পারবে সেটা কিভাবে নির্ধারণ করা হয়? (যাচাই-বাছাই  ২য় ধাপ)
  • যাচাই-বাছাই এর পর যারা টিকে যায় তারা সবাই কি সাপোর্ট পায়? (বিতরণ)
  • প্রাপ্ত সাপোর্ট এর মাধ্যমে আসলেই স্বাবলম্বী হতে পারছে কিনা সেটা কিভাবে নিশ্চিত হয়? (মনিটরিং বা ফলোআপ)
  • মাসিক রিপোর্ট
  • বাৎসরিক রিপোর্ট
  • রিপোর্টিং অফিসার
  • আর্থিক স্বচ্ছতা কিভাবে নিশ্চিত হবে? (ডোনেশন)

কেন RIKSA প্রজেক্ট?

মজার ইশকুল এর শিক্ষার্থীর পড়ালেখা নিশ্চিত করার জন্য সুবিধাবঞ্চিত পরিবারকে স্বাবলম্বী করে তোলা। যাতে শিক্ষার্থীর বাবা অথবা মা অথবা শিক্ষার্থীর দায়িত্ব নেয়া পরিবারের অন্য কোন সদস্যের স্থায়ী আয়ের উৎস তৈরী করা যায়, পরিবারের আর্থিক সমস্যার কারণে শিক্ষার্থীকে কাজে দেওয়া বা গ্রামে পাঠানো বা পড়ালেখা বন্ধ  করে দেওয়ার প্রবণতা কমে এবং সঞ্চয় করার মাধ্যমে সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারে। 

উল্লেখ্য, পথশিশু মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে মজার ইশকুল (একটি অদম্য বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন উদ্যোগ) ২০১৩ সাল থেকে বিগত প্রায় ৮ বছর ধরে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে কাজ করে আসছে। 

ঢাকা ও মনপুরায় (বরিশাল) মজার ইশকুল এর ৮ টি শাখায় মোট প্রায় ২০০০ জন শিক্ষার্থী পড়ছে। যার মধ্যে ৪টি শাখায় (স্থায়ী ইশকুল) জাতীয় শিক্ষাক্রমানুসারে বিনামূল্যে ৭০০ জন সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে শিক্ষা প্রদানের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বাকি ৪টি শাখা খোলা আকশের নিচে পরিচালিত ইশকুল, যেখানে মাসে প্রায় ১,৩০০ এর অধিক শিশুর কাছে পৌঁছাতে পারছি আমরা। 

কারা RIKSA প্রোজেক্টের সুবিধাভোগী?

শুধু মাত্র মজার ইশকুল এর শিক্ষার্থী, তার পরিবার, পরিবার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং সমগ্র বাংলাদেশ।

মজার ইশকুল কেন RIKSA প্রজেক্ট পরিচালনা করছে?

শিক্ষার্থীর পড়ালেখার উপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে বাবা-মায়ের আয়ের উৎস বা কর্মক্ষেত্র। স্থায়ী ইশকুলের তথ্য উপাত্ত যাচাই করে দেখা যায়, বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর অভিভাবক এর আয়ের উৎস স্থায়ী নয়, কাজের স্থায়িত্বকাল ০৩-০৬ মাস, এরপর কাজ না পেলে বেকার বসে থাকে। কিন্তু ৪-৬ জনের পরিবার চালানোর জন্য আয়ের উৎস ১ বা ২ জন হলে এবং সে বেকার বসে থাকলে তখন চলা দায়। আর তখনই শিক্ষার্থী ও তার মাকে সহ গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়ার প্রবণতা বাড়ে। মূলত এভাবেই শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়। 

(যেমন তানজিনা, তুনজিনা, মাহবুব ও শাহাদাৎ খোলা আকাশের নিচে পরিচালিত মজার ইশকুলঃ কমলাপুর এর নিয়মিত শিশু ছিল যখন তাদের বাবা একা ইনকাম করতো এবং খুব কষ্টে কোনো রকমে সংসারের খরচ চালাতো। এরপর বাবার পাশাপাশি যখন তাদের মা আয় করা শুরু করলো এরপর থেকে তারা আর কমলাপুর ষ্টেশন এ যাওয়া বন্ধ করে জাতীয় শিক্ষাক্রমানুসারে পরিচালিত মজার ইশকুলঃ মানিকনগর এ নিয়মিত শিক্ষার্থীতে রুপান্তরিত হলো।)


এরকম সমস্যা সমাধানে মজার ইশকুল শিক্ষার্থীদের অভিভাবক বাবা অথবা মা কে স্বাবলম্বী করে শিক্ষার্থীদের ইশকুলে পড়ালেখা নিশ্চিত করে তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার জন্যই মূলত মজার ইশকুল এর RIKSA (Rehabilitation Idea Key for Sustainable Activity) প্রোজেক্ট।

কিভাবে সুবিধাভোগী নির্বাচন করা হয়? (যাচাই-বাছাই ১ম ধাপ)

কোন অভিভাবক স্বাবলম্বী হতে আগ্রহী হলে শিক্ষার্থীর উপস্থিতির হার (কমপক্ষে ৮০%), শিক্ষার্থীর গত বছরের পরীক্ষার ফলাফল (কমপক্ষে ৫০% নাম্বার পেতে হবে), অভিভাবকের সমাবেশে উপস্থিতি (কমপক্ষে ৬০% উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে) যাচাই করার পর  যাচাই-বাছাই (প্রথম ধাপ) এর কাজ শুরু হয়। আগ্রহী অভিভাবকের প্রাথমিক তথ্য যেমন, 

  • প্রথমে তার জীবনের গল্প (একদম ছোটবেলা থেকে বর্তমান অবস্থা পর্যন্ত) শুনে লিপিবদ্ধ করা
  • অভিভাবকের নাম, মোবাইল, NID ফটোকপি ও বর্তমান পেশা 
  • স্ত্রী/স্বামীর নাম, মোবাইল, NID ফটোকপি ও বর্তমান পেশা
  • বর্তমান ঠিকানা ও স্থায়ী ঠিকানা 
  • বর্তমান ঠিকানায় রেফারেন্স ব্যক্তির (আত্মীয়) নাম ও মোবাইল
  • স্থায়ী ঠিকানায় রেফারেন্স ব্যক্তির (স্থানীয় জনপ্রতিনিধি) নাম ও মোবাইল
  • বাসার মালিক/ম্যানেজারের নাম ও মোবাইল 
  • বিগত বছরের যত পেশার সাথে যুক্ত ছিল তার সময়কাল, আয় ও ব্যয় লিপিবদ্ধ করা
  • পরিবারের সদস্য সংখ্যা, পরিবারে উপার্জনক্ষম ব্যক্তি, উপার্জন ও খরচের পরিমাণ 
  • সন্তান ও পরিবার নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা 

এসব তথ্য সংগ্রহ করা হয় যাতে ২য় ধাপে যাচাই-বাছাই এর মাধ্যমে সঠিক এবং সবথেকে বেশি প্রয়োজন এমন পরিবারকে সাপোর্ট দেয়া যায়।

প্রদানকৃত স্বাবলম্বী হওয়ার সাপোর্ট যে কাজে লাগাতে পারবে সেটা কিভাবে নির্ধারণ করা হয়? (যাচাই-বাছাই  ২য় ধাপ)

যাচাই-বাছাই এর ২য় ধাপে শিক্ষার্থীর উপস্থিতির হার, শিক্ষার্থীর গত বছরের ফলাফল, অভিভাবকের সমাবেশে উপস্থিতি যাচাই করা সহ ১ম ধাপে সংগৃহীত বাড়ির ম্যানেজার/মালিক, প্রতিবেশী, গ্যারেজ ম্যানেজার, আত্মীয়-স্বজন, জনপ্রতিনিধি এই ০৫টি উৎস থেকে নিম্নোক্ত তথ্যগুলো সংগ্রহ ও তার সত্যতা নিশ্চিত করা হয়ঃ

  • পরিবারের কেউ মাদকের সাথে যুক্ত কিনা
  • ঋণ/কিস্তি/ধারের পরিমাণ 
  • ইশকুলের আশপাশের এলাকায় কত বছর যাবত অবস্থান করছে
  • গত এক বছরে কতগুলো বাসা পরিবর্তন করেছে
  • মাসে কতদিন কাজ করে
  • গত এক বছরে কতগুলো মোবাইল নাম্বার পরিবর্তন করেছে

স্বাবলম্বী হতে আগ্রহী অভিভাবক যে সাপোর্ট গ্রহণ করতে ইচ্ছুক সেই বিষয়ে পূর্ব অভিজ্ঞতা অবশ্যই থাকতে হয়। যাতে করে প্রাপ্ত সাপোর্ট নষ্ট না করে বা বেকার ফেলে না রেখে তার সর্বোত্তম ব্যবহার করে পরিবারিকভাবে স্বচ্ছল হতে পারে।

যাচাই-বাছাই এর পর যারা টিকে যায় তারা সবাই কি সাপোর্ট পায়? (বিতরণ)

১ম ও ২য় ধাপে যাচাই বাছাই শেষে টিকে যাওয়া সাপোর্ট প্রার্থী অভিভাবককে নিম্নোক্ত নিয়মগুলো মানার অঙ্গীকার লিখিতভাবে করতে হয়। তিনি অঙ্গীকারবদ্ধ হওয়ার পর সাপোর্ট প্রদান করা হয়ঃ

১। অধ্যয়নরত সন্তানের লেখাপড়া মজার ইশকুল এ অবশ্যই ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত অথবা ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগ পর্যন্ত অব্যাহত রাখতে হবে। কোনো কারণে সন্তান ইশকুল থেকে ড্রপ আউট হলে কর্তৃপক্ষ যেকোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে।

২। ইশকুলে শিক্ষার্থীর উপস্থিতির হার কমপক্ষে ৯০% নিশ্চিত করতে হবে।

৩। বছরে অনুষ্ঠিত ০৪টি অভিভাবক সমাবেশে বাধ্যতামূলক সাপোর্ট গ্রহীতাকে উপস্থিত থাকাসহ ইশকুলে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে।

৪। RIKSA প্রজেক্টের দায়িত্বরত কর্মকর্তা কর্তৃক গঠিত স্থানীয় অভিভাবক কমিটির মাসের ২য় ও ৪র্থ বৃহস্পতিবার মিটিং এ উপস্থিত থাকাসহ সুবিধাভোগীদের ভালোর জন্য কমিটির নির্দেশনা মানতে বাধ্য থাকবে।

৫। RIKSA প্রজেক্ট থেকে প্রাপ্ত সাপোর্ট প্রথম এক বছরের মধ্যে হারিয়ে ফেললে বা চুরি হয়ে গেলে বা অন্য কোন ক্ষতি হলে তার সম্পূর্ণ দায়ভার গ্রহীতাকেই গ্রহণ করতে হবে এবং এতে প্রজেক্টে দায়িত্বরত কর্মকর্তা সকল ধরনের আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে। যেহেতু আমরা এই স্থায়ী আয়ের উৎসের মাধ্যমে তাদের আর্থিক অবস্থার দীর্ঘমেয়াদী সমাধান চাই।

(নাহলে অনেক অভিভাবক আছে যারা প্রাপ্ত সাপোর্ট বিক্রি করে ফেলে। এরপর হারিয়ে/চুরি হয়ে গেছে বলে জানায়। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে ভয়ে বিক্রি করার বা হারিয়ে ফেলার প্রবণতা কমবে।)

৬। RIKSA প্রজেক্ট থেকে প্রাপ্ত সাপোর্ট সংক্রান্ত সব ধরনের তথ্য দিয়ে দায়িত্বরতদের সহযোগিতা করতে বাধ্য থাকবে।

৭। RIKSA প্রজেক্ট থেকে প্রাপ্ত সাপোর্টের সর্বোত্তম ব্যবহার করে সাপ্তাহিক নির্ধারিত অর্থ সঞ্চয় করার মাধ্যমে পরবর্তি বছরের একই দিনে অন্য আরেকটি পরিবারকে একই রকম সাপোর্ট দেয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা  করতে হবে।

(কারণ ধরি, এ বছর আমরা ৫০ পরিবারকে সাপোর্ট দিলাম। আগামী বছর এই ৫০ জন অভিভাবকরা আরো ৫০ পরিবারকে  সাপোর্ট দিলে এবং আমাদের পক্ষ থেকে আরো ১০০ পরিবারকে সাপোর্ট দেয়ার ব্যবস্থা করলে এক বছর পরেই মোট ২০০ পরিবারকে সাপোর্ট প্রদান করা সম্ভব। পরের বছর এই সংখ্যা ৫০০+ হতে পারে।

এছাড়া নিয়মিত সঞ্চয় করার কারণে তাদের যে অভ্যাস তৈরি হবে সে অভ্যাস ধরে রেখে পরবর্তিতে সঞ্চয় করা অব্যাহত রাখলে সন্তানের সুন্দর ভবিষ্যৎ আরো বেশি নিশ্চিত হবে।) 

প্রাপ্ত সাপোর্ট এর মাধ্যমে আসলেই স্বাবলম্বী হতে পারছে কিনা সেটা কিভাবে নিশ্চিত হয়? (মনিটরিং বা ফলোআপ)

০২ (দুই) সপ্তাহ অন্তর অন্তর (এক বৃহস্পতিবার বাদে পরের বৃহস্পতিবার)  মাসে ২/৩ টি বা বছরে ২৬ টি মিটিং অনুষ্ঠিত হয় যেখানে সব সাপোর্ট গ্রহীতা অভিভাবককে বাধ্যতামূলক ভাবে উপস্থিত থাকতে হয়। উক্ত মিটিং এ নিম্নোক্ত বিষয়ে সামাজিক সচেতনা ও শেয়ারিং সেশন এবং প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়ঃ

সামাজিক সচেতনা ও শেয়ারিং সেশনঃ

১। বর্তমান পারিবারিক অবস্থা, 

২। বাজারের বর্তমান অবস্থা 

৩। কোন এলাকায়/স্থানে/বাজারে আয় বেশি হয়

৪। যে বেশি টাকা আয় করেছে তার কৌশল শেয়ার

৫। কর্মক্ষেত্রের ভালো অভিজ্ঞতা শেয়ার

৬। বিভিন্ন বিষয়ে সামাজিক সচেতনতা

 

প্রশিক্ষণঃ

১। কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ

২। কিভাবে পণ্য/সেবার গুণগতমান ঠিক রাখতে হয়

৩। ক্রেতা/সেবা গ্রহীতার সাথে কি ধরণের আচরণ করতে হয় বা কথা বলতে হয়

৪। কিভাবে নতুন কাস্টমার যুক্ত করতে হয়

৫। বিক্রি বাড়ানোর কৌশল

৬। আয়-ব্যয় সমন্বয় করার কৌশল

৭। সঞ্চয় করার কৌশল

৮। নতুন কোন সমস্যা ও তার সমাধান

মাসিক রিপোর্ট

সাপোর্ট নং

সুবিধাভোগীর নাম

সুবিধাভোগের মাধ্যম

সুবিধা গ্রহণের তারিখ

শিক্ষার্থীর নাম

ইশকুলের নাম

মিটিং এ উপস্থিতির হার

সময়মত সঞ্চয় জমা দেয়ার হার

দৈনিক গড় আয়

         
         
         
         
         
         
         
         
         
         

বাৎসরিক রিপোর্ট

সাপোর্ট নং

সুবিধাভোগীর নাম

সুবিধাভোগের মাধ্যম

সুবিধা গ্রহণের তারিখ

মিটিং এ উপস্থিতির হার

সঞ্চয় এর পরিমাণ

বাৎসরিক আয়

(আনুমানিক)

বাৎসরিক ব্যয় (আনুমানিক)

২০২০ সালের অবস্থা

২০২১ সালের অবস্থা

          
          
          
          
          
          
          
          

রিপোর্টিং অফিসার <br> 

নামঃ হাসিবুল হাসান

<br> পদবীঃ প্রোজেক্ট সমন্বয়কারী

<br> মোবাইলঃ 01318251750

<br> ইমেইলঃ hasib.mojarschool@gmail.com

আর্থিক স্বচ্ছতা কিভাবে নিশ্চিত হবে? (ডোনেশন)

প্রজেক্টের আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জন্য ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড (ইবিএল), খিলগাঁও শাখায় আলাদা ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে এই প্রকল্পের সকল ডোনেশন গ্রহণ ও প্রকল্পের খরচ হবে। এছাড়া অভিভাবকদের সঞ্চয়ের টাকা বিকাশ মার্চেন্ট (01318251764) এর মাধ্যমে সরাসরি উক্ত ব্যাংক হিসেবে চলে যাবে। অভিভাবকদের থেকে কেউ কোন ধরনের নগদ অর্থ গ্রহন করতে পারবে না এবং বছরে শেষে অডিট রিপোর্ট এর মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে।

উল্লেখ্য, উক্ত ব্যাংক হিসাবে অন্য কোন প্রকল বা সংগঠনের অন্য খাতের ডোনেশন রিসিভ করা হবে না।

 

নোটঃ বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট পারসোনাল বা এজেন্ট বিকাশের মত ক্যাশ ইন বা ক্যাশ আউট বা ব্যালেন্স ট্রান্সফার করার কোন অপশন নেই। শুধুমাত্র মার্চেন্ট বিকাশে পেমেন্ট করা যায় এবং কে বা কোন নাম্বার থেকে টাকা পাঠিয়েছে চেক করা যায়। কিন্তু ব্যক্তিগত ভাবে কেউ মার্চেন্ট বিকাশ থেকে টাকা উঠাতে পারে না। মার্চেন্ট বিকাশের মাধ্যমে সরাসরি টাকা ব্যাংক একাউন্টে জমা হয় এবং শুধুমাত্র চেক এর মাধ্যমে টাকা তোলা যায়।

 

Accounts Number: 1291070109615

Accounts Name: Odommo Bangladesh Better Stories

Bank Name: Eastern Bank Ltd (EBL)

Branch : Khilgaon Branch 

Location: Dhaka