Odommo Bangladesh Better Stories Employment Project #31 #Two_Goat #Manpura, Bhola, Bangladesh

আরো ২১ টি পরিবারকে স্থায়ী আয়ের উৎস তৈরি করার মাধ্যমে স্বাবলম্বী করণ ।। Odommo Bangladesh Better Stories

RIKSA (Rehabilitation Idea key for Sustainable Activity) (যা ২০২১ সালে Odommo Bangladesh Better Stories নামে পরিবর্তন হবে) এর আওতায় মজার ইশকুলঃ মনপুরা এর ২১ টি পরিবারকে আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী করতে মা অভিভাবককে ছাগল-ভেড়া প্রদান করা হয়েছে।

প্রজেক্ট শুরুর প্রথম ধাপে ৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখে জেলা প্রশাসক, ভোলা মহোদয় ও চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার,মনপুরা) মহোদয়কে লিখিত আকারে অবহিত করা হয়। এরপরে স্থানীয় চেয়ারম্যান মহোদয়দেরও অবহিত করা হয় ও পরামর্শ নেওয়া হয়।

দ্বিতীয় ধাপে মজার ইশকুলঃ মনপুরা এর শিক্ষার্থীদের মা অভিভাবকদের নিয়ে আলোচনা করা হয়। আলোচনা শেষে ছাগল/ভেড়া পালনে উৎসাহিত মা দের প্রাথমিক তালিকা করা হয়। প্রাথমিক তালিকাকৃত  অভিভাবকদের বাসা ভিজিট করে ছাগল বা ভেড়া রাখার জায়গা, অন্যান্য তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করা হয়। সকল প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি,অভিভাবক সমাবেশে অভিভাবকের উপস্থিতির শতাংশ তথ্য যাচাই বাচাই করে সুবিধা ভোগী অভিভাবক নির্বাচন করা হয়।

তৃতীয় ধাপে চলে ছাগল-ভেড়া ক্রয়ের কার্যক্রম। ছাগল-ভেড়া পালনে অভিজ্ঞ অভিভাবককে সাথে নিয়ে স্থানীয় কৃষকের বাসায় সরাসরি গিয়ে ছাগল-ভেড়া ক্রয় করা হয়। এতে করে ভালো মানের ও জাতের নিশ্চিত হয়, অন্য এলাকার পশুর রোগবালাই আরেক এলাকায় ছড়ায় না, একই সাথে স্থানীয় কৃষকরা লাভবান হয়।

চতুর্থ ধাপে ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ থেকে পর্যায়ক্রমে ছাগল-ভেড়া হস্তান্তর করা শুরু হয়। মজার ইশকুলঃ মনপুরা-১ এ ১৪ টি পরিবারকে মোট ২৮টি এবং মজার ইশকুলঃ মনপুরা-২ এ ৭টি পরিবারকে ১৪টি ছাগল/ভেড়া প্রদান করা হয়। মোট ২১টি পরিবারকে ৪২টি ছাগল/ভেড়া পর্যায়ক্রমে প্রদান করা হয়।

Odommo Bangladesh Better Stories (2)

স্থানীয় প্রতিনিধির বক্তব্যঃ

ছাগল-ভেড়া প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ৪নং দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব আলহাজ্ব অলি উল্লাহ উপস্থিত থেকে মা অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন,”এই ছাগল দেওয়া হচ্ছে আপনাদের উপকারের জন্য। আপনারা যেন এই ছাগল পালন করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারেন। আপনাদের সন্তানকে যেন অভাবের কারণে নদীতে, খেতে খামারে কাজে দিতে না হয় সেটা মাথায় রেখে আপনাদের এই ছাগল দেওয়া। আমি আশা করব আপনাদের যে মহৎ উদ্দেশ্যে এই ছাগল দেওয়া হচ্ছে সেটা আপনারা মাথায় রাখবেন। মোট কথা আপনাদের সন্তানদের ইশকুলে আসার জন্য, লেখাপড়ার জন্যই এই উদ্যোগ। সেই সাথে মজার ইশকুলের এই প্রজেক্টের সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানাই।

প্রোগ্রাম অফিসারের বক্তব্যঃ

মজার ইশকুলঃমনপুরা এর প্রোগ্রাম অফিসার অরবিন্দু রায় জানান, এই প্রকল্পটি আমাদের পাইলট প্রকল্প। পাইলট প্রকল্প সফল হলে বাকি মায়েদের কেও ছাগল/ভেড়া দেওয়ার পরিকল্পনা আছে। আমাদের এই প্রজেক্টের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাবাদের পাশাপাশি মায়েদের স্বাবলম্বী করা। বাবা রা কেউ নদীতে মাছ ধরেন, ক্ষেতে কাজ করেন। মায়েরাও যাতে ঘরে থেকেই পরিবারের উন্নতিতে অবদান রাখতে পারে। কোন শিক্ষার্থীকে যাতে পরিবারের আর্থিক অভাবের কারণে কাজে যেতে না হয় এটা আমরা নিশ্চিত করতে চাই।

Odommo Bangladesh Better Stories (2)

এরপর পরবর্তি এক বছর চলবে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ।