77,000 pieces of Bedana litchi was sold out by মজার দোকান:: Mojar Shop

Summer in Bangladesh is the season of fruit. All kinds of juicy seasonal fruits are available at all around the county.

 

At this time of seasonal fruits, মজার দোকান:: Mojar Shop brought the famous Dinajpur’s litchi for its customers. From multiple varieties of litchis including Bombay, Madraji, Bedana, China, we had chosen Bedana litchi. The local people agreed without any second thought that no other litchi can be compared to Bedana litchi in terms of taste and size. Seeing the interest of the customer, we had collected a total of  77,000 pieces of Bedana litchi directly from Dinajpur. We brought litchi to Dhaka in two parts.

Although the task of buying seasonal fruits from outside of Dhaka and delivering them to the customers seemed new and challenging to us, our staff did not hesitate to take this risk to deliver the best fruits to the customers. On the night of May 29, a team of 4 staff left Dhaka for Dinajpur in a pickup. After a long journey in a pickup, they began the quest for best litchi in the next morning. Since we had no buying experience in wholesale, we took the time to find the best litchi of Dinajpur. After visiting more than 20 orchards and roaming around in the wholesale market for hundreds of times, we finally chose two orchards to buy litchi. In the 1st part, we decided to send 21,000 pieces of litchi to Dhaka. Then it was the turn of picking litchi from the tree and packing these litchis. We tried our best to inform the customers about every detail update including litchi packing, loading in the pickup, and sending it to Dhaka through Facebook Live.

When the 1st bundle of litchis reached Dhaka on the morning of 2nd June, the work of our delivery team started. On the one hand, as home delivery continued, our team in Dinajpur started the work of litchi packing for the second bundle. In the 2nd bundle, we brought 56,000 pieces of litchi to Dhaka. The 2nd bundle of litchi arrived in Dhaka on the morning of 03 June. By June 5, 2020, we completed all our deliveries. Through this whole process of selling litchi, the employment of 08 of our workers had been possible. Besides, there were 100-day laborers in Dinajpur whose daily income depends on litchi packing.

মজার দোকান:: Mojar Shop places the most importance on customer satisfaction. So at the end of the day, the customer’s

feedback inspires us the most. Many of our customers had given positive feedback on our service. One of our customers wrote in his feedback, “In a word, litchis had a great test. It was completely fresh. ” Another customer wrote on his Facebook timeline, “মজার দোকান:: Mojar Shop sent me 1000 pieces of litchi. Very tasty. The delivery was very tidy. Go ahead, মজার দোকান:: Mojar Shop. ” It is these customer feedbacks that inspire us to work.

We delivered product to the customer based on an advance payment. Our order cancellation rate was 0% because of the advance payment option.

As we brought seasonal fruit for our customers the first time, we have a lot of success stories and little learning. We made a detailed plan of how to deliver the best seasonal fruit to the customer using this experience of bringing litchis. The importance of this experience can be measured by the success rate of our next mission, bringing lengra mangoes from Rajshahi.

In 2020, We had 75 customers who brought litchis from us and we earned tk 54,000 as profit by selling litchis this year. 100% of this profit will be used to improve the quality of life of Odommo Bangladesh Foundation’s initiative Mojar School’s children and build a street child-free Bangladesh. By using this year’s experience, we hope to bring more tasty litchis for our customers next year. Until then, Stay with মজার দোকান:: Mojar Shop.

 

৭৭,০০০ পিস বেদানা লিচু সোল্ড আউট করলো মজার দোকান:: Mojar Shop

বাংলাদেশের গ্রীষ্মকাল হল ফলের ঋতু। হরেক রকমের রসালো মৌসুমী ফলের সমারোহ থাকে চারপাশে। মৌসুমী ফল বিক্রির এই সময়ে মজার দোকান:: Mojar Shop তার কাস্টমারদের জন্য নিয়ে আসে দিনাজপুরের বিখ্যাত লিচু। বোম্বাই,মাদ্রাজী,বেদানা, চায়নাসহ ভিন্ন ভিন্ন একাধিক ধরনের লিচুর মধ্য থেকে আমরা বেছে নেই বেদানা লিচুকে। স্থানীয় মানুষ,লিচু চাষী সকলে একবাক্যে মেনে নেয় যে স্বাদ ও আকারে বেদানা লিচুর সাথে অন্য কোন লিচুর তুলনাই হয় না।  আগ্রহ দেখে আমরা দুইধাপে মোট ৭৭,০০০ পিস বেদানা লিচু সরাসরি দিনাজপুরের উৎপাদনকারীর থেকে সংগ্রহ করে কাস্টমারদের কাছে পৌঁছে দিয়েছি।

ঢাকার বাইরে থেকে মৌসুমী ফল কিনে এনে তা ঢাকার কাস্টমারদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজটি আমাদের কাছে নতুন ও চ্যালেঞ্জিং মনে হলেও,কাস্টমারদের কাছে সেরা ফলটি পৌঁছে দেওয়ার জন্য আমাদের কর্মীরা এই ঝুঁকিটা নিতে পিছ পা হয় নি। ২৯ মে রাতে আমাদের ০৪ জনের একটি টীম পিক আপ নিয়েই ঢাকা থেকে দিনাজপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হই। রাতের দীর্ঘ যাত্রা শেষে সকালেই আবার শুরু হয় পছন্দসই লিচু খোঁজার কাজ। আমাদের পাইকারী লিচু কেনার অভিজ্ঞতা না থাকায় আমরা সময় নিয়ে সেরা লিচুটি খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছি। অবশেষে ২০ টির বেশি বাগান ঘুরে,পাইকারী বাজারে শতবার ঢুঁ মেরে আমরা লিচু কেনার জন্য দুইটি বাগান পছন্দ করি। ১ম লটে আমরা ২১,০০০ পিস লিচু ঢাকা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেই। এরপর শুরু হয় গাছ থেকে লিচু পাড়া এবং প্যাকিং করার পালা। লিচু পাড়া, প্যাকিং, পিকআপে লোড এবং ঢাকায় পাঠানোসহ প্রতিটি আপডেট আমরা ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে কাস্টমারদের অবহিত করি।

০২ জুন সকালে ১ম লটের লিচু ঢাকা পৌঁছালে কাজ শুরু হয় আমাদের ডেলিভারি টীমের। একদিকে হোম ডেলিভারী যেমন চলতে থাকে,পাশাপাশি দিনাজপুরে আমাদের টিম ২য় ধাপের লিচু পাড়া ও প্যাকিং এর কাজ শুরু করে দেয়। ২য় লটে আমরা ৫৬,০০০ পিস লিচু ঢাকা নিয়ে আসার জন্য কাজ করি। ২য় ধাপের লিচু ঢাকা এসে পৌঁছায় ০৩ জুন সকালে। ৫ জুন ২০২০ তারিখের মধ্যে আমরা আমাদের সকল ডেলিভারি সফলভাবে সম্পন্ন করতে সক্ষম হই। লিচু বিক্রির এই পুরো প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমাদের ০৮ জন কর্মীর কর্মসংস্থান সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি দিনাজপুরের ১০০ দিনমজুর তো আছেই যাদের প্রতিদিনের আয় নির্ভর করে লিচু পাড়া আর প্যাকিং এর মধ্য দিয়ে।

মজার দোকান:: Mojar Shop কাস্টমারদের সন্তুষ্টিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়। তাই দিনশেষে কাস্টমারদের ফিডব্যাকগুলো আমাদের অনুপ্রেরণা যোগায়। লিচু নিয়ে আমাদের অসংখ্য কাস্টমার ইতিবাচক ফিডব্যাক দিয়েছেন। আমাদের একজন কাস্টমার তার ফিডব্যাকে লিখেন,“এককথায় অসাধারণ টেস্ট ছিল লিচুগুলোর। পুরোপুরি ফ্রেশ ছিল”। অন্য এক কাস্টমার তার ফেসবুক টাইমলাইনে লিখেন, “মজার দোকান:: Mojar Shop আমাকে ১০০০ পিস লিচু পাঠিয়েছিল। খুবই মিষ্টি। ডেলিভারী ছিল খুবই গুছানো। এগিয়ে যাও মজার দোকান:: Mojar Shop”। কাস্টমারদের এই ফিডব্যাকগুলোই আমাদের কাজ করার অনুপ্রেরণা যোগায়।

মজার দোকান:: Mojar Shop প্রথমবারের মত মৌসুমী ফল গ্রাহকের জন্য এনে সফলতা যেমন পেয়েছে,পাশাপাশি ছিল কিছু শিক্ষণীয় বিষয়। সেরা মৌসুমী ফলটি কাস্টমারদের নিকট পৌঁছে দেওয়ার কাজটি আরো কতটা নিখুঁতভাবে করা যেতে পারে তা নিয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা করেছি এই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে। এই অভিজ্ঞতা আমাদের জন্য কতটুকু উপকারী ছিল তা আমাদের পরবর্তী যাত্রা,রাজশাহীর ল্যাংড়া আম বিক্রির প্রক্রিয়ার ১০০% সাফল্য থেকেই বুঝতে পারি।

আমরা সর্বদা অগ্রীম পেমেন্টের ভিত্তিতে কাছে পৌঁছিয়ে থাকি। অগ্রীম পেমেন্ট অপশনের কারণে লিচু ডেলিভারীর ক্ষেত্রেও আমাদের অর্ডার ক্যান্সেলেশন রেট ছিল ০%।

২০২০ সালে,প্রথমবারের মত বেদানা লিচু বিক্রির প্রক্রিয়ায় আমাদের সাথে কাস্টমার হিসেবে যুক্ত ছিলেন ৭৫ জন এবং এ থেকে আমরা ৫৪,০০০ টাকা লাভ করি। উক্ত টাকার ১০০% ই অদম্য বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগ মজার ইশকুল পথশিশুদের জীবনমান উন্নয়ন ও পথশিশুমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ব্যবহৃত হবে। এই বছরের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগয়ে আমরা আগামী বছর আমাদের কাস্টমারদের জন্য আরো অধিক সংখ্যক লিচু নিয়ে উপস্থিত হব বলে আশা করি। ততদিন মজার দোকান:: Mojar Shop এর সাথেই থাকুন।