Jasmine life story to get out of war

The mother of his child will wake up every morning. His hands were the packed bag, breakfast, lunch box bag with the left. The mother will return home after school child care will be busy over the child’s affection, it is the ability of the mother of his child’s everyday life.
But today’s story in the slums of agargaon jasmine. Age 7, in a room crowded with parents, is unhealthy.
Poor family, father, and human hauler or rickshaw pullers, or Others works. And every morning she goes to work in another family’s house.
Let’s cut to cuddle all day-care, study, eat, and sports. Planning to be normal, is not it?

But the story is different jasmine.
Jasmine wealthier families as children can not plan for the day. She was to get up on his own. The little house is slums. Thala washed dishes at night to keep the left, for cooking curry cooked in the back of Coote. As well as the 4-year-old younger sister to look after. If you could burn your hands while cooking is almost spent. Ages fingers over the scar. If you got the opportunity to play the game at the end of all the work that is going on. Sometimes it takes very surprisedly, looking at her little daughter in the 7-year-old has learned to do so many things. These elders do not want to do it now or we do not even bother with. And every day she is. This may be the opportunity to spend a girl’s childhood in receiving.
Interestingly, in spite of our desire to go to school around the time of the first admission could not go to school. When looking for the other students would or would know if Jasmine is cooking or washing clothes washing plates. Whenever I had to go to find him some work could be seen to be always busy. Had to wash me, dress myself on either. And the joy of learning on either age or anything so small that it would not have the opportunity to learn. It was supposed to go to school around the time of the forgotten melody.
Jasmine has developed an interest in coming to school over on either funny. His childhood was happy to get the chance to come and go to school, but some of the things are still the same. With everything he goes to school on a regular basis over the coming 3 years, every day doing well in studies. As everyone is learning to keep yourself clean. Many children go to school today like jasmine on either funny that there are not deprived of the joy of reading. As the girl is going to want to promote yourself beyond the constraints of changing impressed. Find the best times are early childhood spending.

Monthly only 1500 / = with responsibility for the education of jasmine . anyone can be next. Jasmine is one of the country’s wealth with the help of a little person does not understand who it is that we do not want to let go?

প্রতিদিন সকালে মা তার সন্তানকে ঘুম থেকে তুলে দিবেন। নিজ হাতে ব্যাগ গুছিয়ে দেওয়া, সকালের নাস্তা তৈরি সাথে টিফিন বক্স ব্যাগে রেখে দেওয়া। স্কুল শেষে সন্তান যখন বাসায় ফিরবে মা আবার ব্যস্ত হয়ে পড়বে সন্তানের আদর যত্ন করা নিয়ে, এটা সামর্থ্যবান পরিবারের মা আর তার সন্তানের প্রতিদিনের জীবনের কথা।

কিন্তু আজকের গল্পটা আগারগাও এর বস্তিতে থাকা জেসমিনের । বয়স ৭ , মা বাবার সাথে অস্বাস্থ্যকর ঘিঞ্জি এক রুমে থাকে ।

অসচ্ছল পরিবারে বাবা লেগুনা অথবা রিক্সাচালক, বা লেবারির কাজ করে থাকে । আর মা রোজ সকালে চলে যায় অন্যের সংসারের বাসার কাজ করতে।

সারাদিন সময় কেটে যাক আদর-যত্ন, পড়াশুনা, খাওয়া-দাওয়া আর খেলাধুলায়। এমন পরিকল্পনা হওয়াটা স্বাভাবিক , তাইনা?

কিন্তু জেসমিনের জীবনের গল্পটা ভিন্ন।

জেসমিনের সারাদিনের পরিকল্পনা সামর্থ্যবান পরিবারের সন্তানের মতো নয়। তাকেই নিজে থেকে ঘুম থেকে উঠতে হয়। বস্তিতে থাকা ছোট্ট ঘরটি ঘুছাতে হয়। রাতে ফেলে রাখা সব থালা- বাসন ধুয়ে রাখতে হয়, রান্নার জন্য তরকারি কুটে রাখা আবার সেগুলো রান্না করে রাখা। পাশাপাশি ৪বছরের ছোট বোনের দেখাশুনা করা। রান্না করতে গিয়ে প্রায় হাত পুড়ে যেত না হলে কেটে যেত। হাতের আঙ্গুলে বয়সের থেকে কাটার দাগ বেশি । সব কাজ শেষে যদি খেলার সুযোগটা হয়ে উঠে তাহলে খেলতে যাওয়া হয়। মাঝে মাঝে মেয়েটার দিকে তাকিয়ে খুব অবাক লাগে পরিস্থিতির কারনে ৭ বছরের এইটুকু মেয়েটা এই বয়সে এতো কিছু করতে শিখে গেছে। এই সকল কাজগুলো এখন আমরা বড়রাও করতে চাই না বা করলেও বিরক্তের সাথে করে থাকি। আর এই মেয়েটি করে যাচ্ছে প্রতিটা দিন। এতো মায়াবি একটা মেয়ে নিজের শৈশবকাল কাটানোর সুযোগটাও পাচ্ছেনা।

আমাদের মজার ইশকুলে যখন ভর্তি হয় প্রথমে ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও প্রায় সময় স্কুলে আসতে পারতো না। যখন খোঁজ নিতাম বা অন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জানা যেত জেসমিন রান্না করছে বা প্লেট ধুচ্ছে না হলে কাপড় ধুচ্ছে। যখনি ওর খোঁজ নিতে যাওয়া হতো কোন না কোন কাজে তাকে সবসময় ব্যস্ত থাকতে দেখা যেত। নিজের ইশকুলের পোশাকটাও নিজেকেই ধুয়ে রাখতে হতো। এত ছোট বয়সের ইশকুল আর পড়াশুনার গুরুত্ব বা আনন্দ কিছুই সে জানার সুযোগ পেতো না। প্রায় সময় কাজের তালে ভুলেই যেত ইশকুলে আসার কথা।

জেসমিনকে মজার ইশকুল ধরে ধরে স্কুলে আসার আগ্রহ গড়ে তুলেছে। ইশকুলে এসে নিজের শৈশবের আনন্দ পাওয়ার সুযোগ কিছুটা পেয়েছে কিন্তু তার কাজের তালিকা এখনো আগের মতোই রয়েছে। সব কিছু ঠিক রেখে ৩ বছর ধরে সে ইশকুলে নিয়মিত আসছে, প্রতিটাদিন পড়াশুনায় ভালো করছে। নিজেকে সবার মতো করে পরিস্কার করে রাখতে শিখছে। মজার ইশকুল আছে বলে জেসমিনের মতো অনেক বাচ্চারাই আজ ইশকুলে পড়ার আনন্দ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে না। দিন যত যাচ্ছে মেয়েটার পরিবর্তনে মুগ্ধ হচ্ছি শত বাধার পরেও নিজেকে এগিয়ে নিতে চায়। শৈশবের সেরা সময়গুলো কাটানোর সুযোগ খুজে পাচ্ছে।

মাসিক মাত্র ১৫০০/= দিয়ে জেসমিনদের শিক্ষার দায়িত্ব নিয়ে পাশে থাকতে পারেন যে কেউ । কারো একটু সহযোগিতায় একজন জেসমিন দেশের বোঝা না হয় সম্পদ হয়ে উঠুক এটা আমরা কে না চাই ?

— — —

হাত বাড়িয়ে দিন এই আলোকিত পথের সহযাত্রী হতে মাসিক মাত্র ১৫০০ টাকায় – “শিক্ষা উন্নয়ন অভিভাবক বা Sponsor A Child”এর জন্য http://bit.ly/SponsorChild-MojarSchool এই লিঙ্কে গিয়ে আপনার প্রাথমিক তথ্য দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন, ২৪ ঘণ্টার ভিতর আমরা আপনার সাথে যোগাযোগ করবো ।

Donate via #Bank City Bank Ltd.#bKash #Rocket #Nagad #WesternUnion #Ria or Use Any MoneyTransfar .

Hello – 01511886905 ( Sponsor A Child Officer )

— — —

#SponsorAChild #MojarSchool #StreetChildren #HelpGirlsToGrow #StreetChildFreeBangladesh
#মজার_ইশকুল #শিক্ষা_উন্নয়ন_অভিভাবক #পথশিশুদের_বন্ধু