Sponsor A Child

স্পন্সর এ চাইল্ড একটি ফান্ড রাইজিং পদ্ধতি, যার মাধ্যমে কোনো অ-লাভজনক সংগঠন প্রত্যেকটি শিশুদের জন্য আলাদাভাবে অর্থ সংগ্রহ করে থাকে। অর্থাৎ, একজন শিশুর জন্য একজন শিক্ষা উন্নয়ন অভিভাবক থাকে, যিনি সেই শিশুর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার জন্য তার শিক্ষার দায়িত্ব নিয়ে থাকে।

মজার ইশকুল পথশিশু মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার যে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে তা কখনোই কারো একার পক্ষে সম্ভব না, প্রয়োজন সবার সহযোগিতা। এই শিশুরা সকল মৌলিক চাহিদা থেকে বঞ্চিত, তাদের এসকল মৌলিক চাহিদা গুলো পূরণ করার জন্য প্রয়োজন হয় বাধাহীন সহযোগীতার যা একজন শিক্ষা উন্নয়ন অভিভাবক করে থাকে। স্পন্সর এ চাইল্ড এর মাধ্যমে শিক্ষা উন্নয়ন অভিভাবক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে গড়ে ওঠে এক নিবিড় সম্পর্ক।

যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তার ৬টি ব্যক্তিগত তথ্য মজার ইশকুল কে প্রদান করে (যা সম্পূর্ণ গোপনীয় ও নির্দিষ্ট ডিপার্টমেন্ট ব্যতিত অন্য কেউ তা জানবে না) মাসিক ১,৫০০ টাকা করে প্রদান এর মাধ্যমে ১ জন শিক্ষার্থীর দায়িত্ব নিয়ে শিক্ষা উন্নয়ন অভিভাবক হিসেবে যুক্ত হতে পারে।

উক্ত ১,৫০০ টাকা একজন শিশুর জন্য নিশ্চিত করে মানসম্পন্ন শিক্ষা, পুষ্টিকর সকালের খাবার, স্বাস্থ্যসম্মত দুপুরের খাবার, নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি, শিশু নিরাপত্তা, চিকিৎসা ও নেতৃত্ব।

 

মজার ইশকুলের শিক্ষার্থীদের মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিতের জন্য জাতীয় শিক্ষাক্রমানুসারে শিক্ষা প্রদান করা হয়। শিক্ষকদের মানসম্পন্ন শিক্ষা প্রদান নিশ্চিতে করতে তাদের জন্য আয়োজন করা হয় শিক্ষক প্রশিক্ষণ। শিক্ষকগণ প্রতিটি ক্লাসের জন্য তৈরী করেন পাঠ-পরিকল্পনা। যাতে কোন শিক্ষক কোন কারণে অনুপস্থিত থাকলে তার পাঠ-পরিকল্পনা অনুসারে অন্য যেকোন শিক্ষক ক্লাস নিতে পারে এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা বা ক্লাস নির্বিঘ্নে চলমান থাকে।

মজার ইশকুলে জুন ২০১৮ সাল থেকে মজার ইশকুলঃ ফুড এন্ড নিউট্রিশন প্রোগ্রামের আওতায় নিউট্রিশন প্রোগ্রামের কার্যক্রম শুরু করা হয়। যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সকালে ১ গ্লাস দুধ, ১ টি ডিম, ১ পিস বাকরখানি, ১ টি কলা, ১ পিস কেক ও ২ পিস পাউরুটি প্রদান করা হয়, যা শিশুদের পুষ্টিকর সকালের খাবার নিশ্চিত করে।

একই বছর নভেম্বর ২০১৮ মজার ইশকুলঃ ফুড এন্ড নিউট্রিশন প্রোগ্রামের আওতায় ফুড প্রোগ্রামের কার্যক্রম শুরু হয়, যার মাধ্যমে প্রতিদিন ক্লাস শেষে শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজন করা হয় সাদা ভাত বা খিচুড়ির সাথে মুরগির মাংস, মাছ ও ডিম। যা শিক্ষার্থীদের দুপুরের স্বাস্থ্যকর ও আমিষ জাতীয় খাবার নিশ্চিত করছে।

শিক্ষার্থী নিরাপত্তার জন্য রয়েছে মজার ইশকুলের জিরো টলারেন্স নীতিমালা। ইশকুলে নিয়োগ প্রাপ্ত সকল কর্মকর্তা এই নীতিমালার আওতায় রয়েছে। এছাড়াও শিক্ষার্থীরা যাতে একে অন্যকে কোন ভাবে আঘাত না করতে পারে সে বিষয়ে নিয়মিতভাবে কাউন্সিলিং করা হয়।

স্থায়ী ইশকুলের সকল শিক্ষার্থীর জন্য ৩-৬ মাস অন্তর অন্তর বিনামূল্যে মেডিক্যাল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। শিক্ষার্থীদের সার্বিক শারীরিক অবস্থা নিরুপন ও প্রয়োজন অনুসারে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ নিশ্চিত করে।

স্থায়ী ইশকুল গুলোতে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব প্রদানের জন্য তৈরী করতে রয়েছে শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছাসেবীমূলক ক্লাব “স্টুডেন্টস সোশ্যাল ক্লাব”। উক্ত ক্লাবের সদস্য শিক্ষার্থীরা ইশকুলে আয়োজিত বিভিন্ন ইভেন্ট বা উৎসবে শিক্ষকদের সাহায্য করেন। ইশকুলের নিয়ম-কানুন মেনে চলতে শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করে।

শিক্ষার্থীদের মানসম্পন্ন শিক্ষা প্রদান ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে মজার ইশকুলের মাধ্যমে আপনিও অবদান রাখতে পারবেন স্পন্সর এ চাইল্ডের মাধ্যমে এক বা একাধীক শিক্ষার্থীর দায়িত্ব নিয়ে।

আপনি স্পন্সর এ চাইল্ডের মাধ্যমে শিক্ষা অভিভাবক হলে আপনাকে নিশ্চিত করা হবে শিক্ষার্থীর যাবতীয় তথ্য সম্বলিত শিক্ষার্থী প্রোফাইল, প্রতি মাসে সংগঠনের কার্যক্রমের উপর ভিত্তি করে ১টি আপডেট, শিক্ষার্থীর পরীক্ষার ফলাফল এবং সরাসরি ইশকুল ভিজিটের সুবিধা।

Fillup this form to take #Responsibility http://bit.ly/SponsorChild-MojarSchool

Hello – 01511886905 ( Sponsor A Child Officer )

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •