#শীত_উৎসব_২০১৯ #মজার_ইশকুল_শীত_উৎসব_২০১৯_সিজন_৫ #শীতবস্ত্র_বিতরণ_২০১৯

মজার ইশকুলঃ শীত উৎসব ২০১৯। সিজন-৫

 

মজার ইশকুলঃ শীত উৎসব ২০১৯, সিজন ৫ এ মজার ইশকুলের নিয়মিত ৮ টি ইশকুলের পয়েন্ট আগারগাঁও, মানিকনগর,মনপুরা ১, মনপুর ২, শাহবাগ, কমলাপুর,সদরঘাট,ধানমন্ডি ও অনিয়মিত পয়েন্ট খিলগাঁও,উত্তরা,এয়ারপোর্ট, মিরপুর ও বাংলাদেশের ৮টি বিভাগের (ঢাকা, বরিশাল, খুলনা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুর ও সিলেট) মোট ২০ টি পয়েন্টের ৫,০০০ সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শীতের উন্নতমানের লাল জ্যাকেট প্রদান করা হবে।

 

৫,০০০ সুবিধাবঞ্চিত শিশুর কাছে শীতের উষ্ণতা পৌছে দিতে, মজার ইশকুলের সঙ্গী হতে উন্নতমানের লাল জ্যাকেট প্রদানের জন্য ডোনেট করুন অনলাইনে, খুব সহজে জন প্রতি মাত্র ৬০০ টাকা , যাতে নিশ্চিত হবে ১ জন সুবিধাবঞ্চিত শিশুর উষ্ণতা ।

১ জনের জন্য ৬০০ টাকা
৫ জনের জন্য ৩,০০০ টাকা
১০ জনের জন্য ৬,০০০ টাকা
৫০ জনের জন্য ৩০,০০০ টাকা
১০০ জনের জন্য ৬০,০০০ টাকা

উল্লেখ্য যে মোট জ্যাকেটের ৬০% বাংলাদেশের যেকোন কর্পোরেট কোম্পানি ডোনেট করতে পারবে।

[ Donate Us ]
http://bit.ly/Donate-Mojar-School

উপরের লিংকে, ব্যাংক, বিকাশ বা ক্যাশসহ ১৬ টি মাধ্যমে ডোনেট করতে পারেন মজার ইশকুলঃ শীত উৎসব ২০১৯, সিজন ৫ এ।

 

মজার ইশকুলের শীতের উষ্ণতা বাংলাদেশের ৮ টি বিভাগের (ঢাকা, বরিশাল, খুলনা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুর ও সিলেট) ৫,০০০ সুবিধাবঞ্চিত শিশুর কাছে পৌছে দিতে পাশে প্রয়োজন বাংলাদেশের ৮টি বিভাগ (ঢাকা, বরিশাল, খুলনা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুর ও সিলেট) থেকে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করতে আগ্রহীদের।

বাংলাদেশের ৮টি বিভাগ থেকে (ঢাকা, বরিশাল, খুলনা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুর ও সিলেট) স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে অংশগ্রহণ ৫,০০০ সুবিধাবঞ্চিত শিশুর কাছে উন্নতমানের লাল জ্যাকেট পৌছাতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

[ Volunteer ] #Apply_For_Volunteer
http://bit.ly/MojarSchoolVolunteer

 

মজার ইশকুলঃ শীত উৎসবের উদ্দেশ্য কি ও কেন? বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ। ঋতু পরিবর্তনের ধারা অনুসারে ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে শীতকাল থাকে। এই সময়ে শীতের পোশাক অতিব প্রয়োজনীয় হয়ে দাঁড়ায় সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য। মজার ইশকুল এই প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে ২০১৩ সাল থেকেই শীত উৎসবের মাধ্যমে উষ্ণতা পৌঁছে আসছে। মজার ইশকুলঃ শীত উৎসব এর মূল লক্ষ্য শীতের তীব্রতা থেকে সুবিধাবঞ্চিত পথশিশুদের রক্ষা করা এবং একই সাথে স্থায়ী ও ভাসমান সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা সংগ্রহ করে,শিশু সংখ্যা,পারিপার্শ্বিক বিষয়াবলি বিবেচনা করে তাদের জন্য খোলা আকাশের নিচে পরিচালিত ইশকুল বা স্থায়ী ইশকুল এর কার্যক্রম শুরু করা। ২০১৩ সালে প্রথমবার কম্বল দিলেও খুব দ্রুতই আমরা বের হয়ে আসি এই সিদ্ধান্ত থেকে। শীতে শিশুদের সবচেয়ে জরুরি হচ্ছে জ্যাকেট যা সে নিজের কাছে সবসময় রাখবে পারবে এবং কেউ কেড়ে বা চুরি করে নিতে পারবে না, যা আমরা দিয়েছি ২০১৪ সাল থেকে। আর তৃতীয় বছর ২০১৫ সালের আয়োজন ছিলো ৪০০ শিশুর জন্য লাল সবুজ জ্যকেট। চতুর্থ সিজনে এসে ১,০০০ শিশুর কাছে উষ্ণতা পৌঁছে দিয়েছে মজার ইশকুল। ২০১৩ সাল থেকে প্রতিবছর রাজধানী ঢাকায় শীত শুরুর আগেই পথশিশুদের কাছে উষ্ণতা পৌঁছে দিতে কাজ করছে তারুন্যের সংগঠন অদম্য বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন। ২০১৩ সালে কম্বল প্রদান করা হলেও আমাদের মনে হয়েছে শিশুদের জন্য শীতে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় শীতের পোশাক হচ্ছে জ্যাকেট। । তাই ২০১৪ সাল থেকে শীতে মজার ইশকুল সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জ্যাকেট প্রদান করে আসছে, যা চলমান রয়েছে। মূলত সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের যাতে শীতের তীব্রতা স্পর্শ করতে না পারে,তাই শীত উৎসবের মাধ্যমে উষ্ণতা পৌঁছে দেওয়াই মজার ইশকুলের মূল উদ্দেশ্য। প্রথম ২ বছর বিভিন্ন সংগঠনের সহযোগীতায় শীত উৎসব অনুষ্ঠিত হলেও ২০১৫ ও ২০১৬ সালে যথাক্রমে ৪০০ ও ১,০০০ সুবিধাবঞ্চিত শিশুর জন্য উন্নত মানের শীতের জ্যাকেটের ব্যবস্থা করে মজার ইশকুল। ২০১৯ সালে ৫ম সিজনে এসে নিজস্ব শক্তিশালী স্বেচ্ছাসেবী টিমের মাধ্যমে ৫,০০০ সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের কাছে শীতে উন্নত মানের জ্যাকেট পৌঁছে দেওয়ার টার্গেট নিয়েছে মজার ইশকুল। মজার ইশকুলঃ শীত উৎসব এর প্রস্তুতি মজার ইশকুল সব সময় পূর্ব-পরিকল্পনা ও প্রস্তুতিতে বিশ্বাসী। তাই অনান্য কাজ ও উৎসবের মত শীত উৎসবের প্রস্তুতি নেওয়া শুরু হয় প্রায় ৬০ দিন আগে থেকে। প্রস্তুতি শুরু হয় উৎসব সমন্বয়কারী ও পয়েন্টের সমন্বয়কারী নির্বাচন ও প্রোগ্রাম এর কার্যক্রমের খশড়া তৈরীর মাধ্যমে। এরপর ধীরে ধীরে উৎসব স্বেচ্ছাসেবী যুক্তকরণ, স্বেচ্ছাসেবীদের জন্য ওরিয়েন্টেশন এর আয়োজন, টিম মিটিং, দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া ও বুঝে নেওয়া। এর পাশাপাশি উৎসব এর প্রায় ২ মাস আগে থেকে চলতে থেকে প্রতি পয়েন্টে শিশুদের শীতের পোশাকের মাপ নেওয়ার কার্যক্রম যাতে শিশুদের জন্য সঠিক মাপের জ্যাকেট নিশ্চিত করার সম্ভব হয়। উৎসব এর ৩০ দিন আগে থেকে প্রায় প্রতিদিন সমন্বকারীসহ টিমের অধিকাংশ সদস্য একত্রে প্রতিদিন টিম মিটিং, শিশুদের টোকেন দেওয়া, শিশুদের তালিকা আপডেট, উৎসব এর জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য তৈরির কাজ শুরু করে। একই সময় সবচেয়ে ভালো মানের জ্যাকেটের কাপড় কেনা,বানানোর জন্য একটি স্বেচ্ছাসেবী টিম গুলিস্থান,বঙ্গবাজার,ইসলামপুর ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় খোঁজ নিতে থাকে। বাজারের সবচেয়ে টেকসই মানের জ্যাকেটের কাপড় খুজে বের করে, জ্যাকেট বানানোর কারখানায় ভালো মানের সেলাই নিশ্চিত করে জ্যাকেট তৈরী করা হয়। শুধু জ্যাকেট দেওয়া জন্য দেওয়া নয়। যাতে সর্বাধিক সময় জুড়ে শিশুরে জ্যাকেটগুলো ব্যবহার করতে পারে তাই এই আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়ে জ্যাকেটগুলো তৈরী করা হয়। আর যেহেতু প্রতিটি শিশুর মাপ নিয়ে উক্ত মাপ অনুসারে জ্যাকেটগুলো তৈরী করা হয় তাই শিশুরা জ্যাকেটগুলো দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবহার করতে পারে। উক্ত কার্যক্রমগুলোর পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবী টিম ক্রাউড ও কর্পোরেট ফান্ড সংগ্রহের জন্য চেষ্টা করতে থাকে। উৎসবের ১ দিন আগেই সকল প্রস্তুতি শেষে মজার ইশকুল টিমের অপেক্ষা শীতের জ্যাকেট হাতে শিশুদের উষ্ণ হাসিমুখ দেখার।

মজার ইশকুলঃ শীত উৎসবের উদ্দেশ্য, কি ও কেন?

বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ। ঋতু পরিবর্তনের ধারা অনুসারে ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে শীতকাল থাকে। এই সময়ে শীতের পোশাক অতিব প্রয়োজনীয় হয়ে দাঁড়ায় সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য।

মজার ইশকুল এই প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে ২০১৩ সাল থেকেই শীত উৎসবের মাধ্যমে উষ্ণতা পৌঁছে আসছে। মজার ইশকুলঃ শীত উৎসব এর মূল লক্ষ্য শীতের তীব্রতা থেকে সুবিধাবঞ্চিত পথশিশুদের রক্ষা করা এবং একই সাথে স্থায়ী ও ভাসমান সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা সংগ্রহ করে,শিশু সংখ্যা,পারিপার্শ্বিক বিষয়াবলি বিবেচনা করে তাদের জন্য খোলা আকাশের নিচে পরিচালিত ইশকুল বা স্থায়ী ইশকুল এর কার্যক্রম শুরু করা।

২০১৩ সালে প্রথমবার কম্বল দিলেও খুব দ্রুতই আমরা বের হয়ে আসি এই সিদ্ধান্ত থেকে। শীতে শিশুদের সবচেয়ে জরুরি হচ্ছে জ্যাকেট যা সে নিজের কাছে সবসময় রাখবে পারবে এবং কেউ কেড়ে বা চুরি করে নিতে পারবে না, যা আমরা দিয়েছি ২০১৪ সাল থেকে। আর তৃতীয় বছর ২০১৫ সালের আয়োজন ছিলো ৪০০ শিশুর জন্য লাল সবুজ জ্যকেট। চতুর্থ সিজনে এসে ১,০০০ শিশুর কাছে উষ্ণতা পৌঁছে দিয়েছে মজার ইশকুল।

২০১৩ সাল থেকে প্রতিবছর রাজধানী ঢাকায় শীত শুরুর আগেই পথশিশুদের কাছে উষ্ণতা পৌঁছে দিতে কাজ করছে তারুন্যের সংগঠন অদম্য বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন।

২০১৩ সালে কম্বল প্রদান করা হলেও আমাদের মনে হয়েছে শিশুদের জন্য শীতে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় শীতের পোশাক হচ্ছে জ্যাকেট। । তাই ২০১৪ সাল থেকে শীতে মজার ইশকুল সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জ্যাকেট প্রদান করে আসছে, যা চলমান রয়েছে। মূলত সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের যাতে শীতের তীব্রতা স্পর্শ করতে না পারে,তাই শীত উৎসবের মাধ্যমে উষ্ণতা পৌঁছে দেওয়াই মজার ইশকুলের মূল উদ্দেশ্য।

প্রথম ২ বছর বিভিন্ন সংগঠনের সহযোগীতায় শীত উৎসব অনুষ্ঠিত হলেও ২০১৫ ও ২০১৬ সালে যথাক্রমে ৪০০ ও ১,০০০ সুবিধাবঞ্চিত শিশুর জন্য উন্নত মানের শীতের জ্যাকেটের ব্যবস্থা করে মজার ইশকুল। ২০১৯ সালে ৫ম সিজনে এসে নিজস্ব শক্তিশালী স্বেচ্ছাসেবী টিমের মাধ্যমে ৫,০০০ সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের কাছে শীতে উন্নত মানের জ্যাকেট পৌঁছে দেওয়ার টার্গেট নিয়েছে মজার ইশকুল।

 

মজার ইশকুলঃ শীত উৎসব এর প্রস্তুতি

মজার ইশকুল সব সময় পূর্ব-পরিকল্পনা ও প্রস্তুতিতে বিশ্বাসী। তাই অনান্য কাজ ও উৎসবের মত শীত উৎসবের প্রস্তুতি নেওয়া শুরু হয় প্রায় ৬০ দিন আগে থেকে।

প্রস্তুতি শুরু হয় উৎসব সমন্বয়কারী ও পয়েন্টের সমন্বয়কারী নির্বাচন ও প্রোগ্রাম এর কার্যক্রমের খশড়া তৈরীর মাধ্যমে। এরপর ধীরে ধীরে উৎসব স্বেচ্ছাসেবী যুক্তকরণ, স্বেচ্ছাসেবীদের জন্য ওরিয়েন্টেশন এর আয়োজন, টিম মিটিং, দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া ও বুঝে নেওয়া। এর পাশাপাশি উৎসব এর প্রায় ২ মাস আগে থেকে চলতে থেকে প্রতি পয়েন্টে শিশুদের শীতের পোশাকের মাপ নেওয়ার কার্যক্রম যাতে শিশুদের জন্য সঠিক মাপের জ্যাকেট নিশ্চিত করার সম্ভব হয়।

 

উৎসব এর ৩০ দিন আগে থেকে প্রায় প্রতিদিন সমন্বকারীসহ টিমের অধিকাংশ সদস্য একত্রে প্রতিদিন টিম মিটিং, শিশুদের টোকেন দেওয়া, শিশুদের তালিকা আপডেট, উৎসব এর জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য তৈরির কাজ শুরু করে। একই সময় সবচেয়ে ভালো মানের জ্যাকেটের কাপড় কেনা,বানানোর জন্য একটি স্বেচ্ছাসেবী টিম গুলিস্থান,বঙ্গবাজার,ইসলামপুর ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় খোঁজ নিতে থাকে। বাজারের সবচেয়ে টেকসই মানের জ্যাকেটের কাপড় খুজে বের করে, জ্যাকেট বানানোর কারখানায় ভালো মানের সেলাই নিশ্চিত করে জ্যাকেট তৈরী করা হয়।

শুধু জ্যাকেট দেওয়া জন্য দেওয়া নয়। যাতে সর্বাধিক সময় জুড়ে শিশুরে জ্যাকেটগুলো ব্যবহার করতে পারে তাই এই আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়ে জ্যাকেটগুলো তৈরী করা হয়। আর যেহেতু প্রতিটি শিশুর মাপ নিয়ে উক্ত মাপ অনুসারে জ্যাকেটগুলো তৈরী করা হয় তাই শিশুরা জ্যাকেটগুলো দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবহার করতে পারে।

উক্ত কার্যক্রমগুলোর পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবী টিম ক্রাউড ও কর্পোরেট ফান্ড সংগ্রহের জন্য চেষ্টা করতে থাকে।

উৎসবের ১ দিন আগেই সকল প্রস্তুতি শেষে মজার ইশকুল টিমের অপেক্ষা শীতের জ্যাকেট হাতে শিশুদের উষ্ণ হাসিমুখ দেখার।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •