#মজার_ইশকুল #মজার_স্কুল #Mojar_School #MojarSchoolForStreetChildren #child_sponsorship_organizations #sponsor_child_education #sponsor_a_child_in_need #sponsor_an_orphan #Mojar_School_Sponsor_a_Child #Under_Priviliged_Children_Dhaka_Bangladesh #সুবিধাবঞ্চিত_শিশুদের_জন্য_মজার_ইশকুল Jhuma Added Something New

” মা কে জানে না। বাবাও স্বীকৃতি দেয়নি, এভাবেই বেড়ে উঠছে পথশিশু কলি”

” মা কে জানে না। বাবাও স্বীকৃতি দেয়নি, এভাবেই বেড়ে উঠছে পথশিশু কলি”
 
 
নামঃ কলি
বয়সঃ ১৮ বছর
বিশেষ চিহ্নঃ বাম চোখের নিচে গোলাকার ক্ষতচিহ্ন বাবার নামঃ জাহাঙ্গীর
মায়ের নামঃ জানে না
স্থায়ী ঠিকানাঃ হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর
বর্তমান ঠিকানাঃ কমলাপুর
 
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ দ্বিতীয় শ্রেণি
#মজার_ইশকুল #মজার_স্কুল #Mojar_School #MojarSchoolForStreetChildren #child_sponsorship_organizations #sponsor_child_education #sponsor_a_child_in_need #sponsor_an_orphan #Mojar_School_Sponsor_a_Child #Under_Priviliged_Children_Dhaka_Bangladesh #সুবিধাবঞ্চিত_শিশুদের_জন্য_মজার_ইশকুল Jhuma Added Something New
 
১৮ বছর বয়সী কলি জানে না তার মা কে, কিংবা কীভাবেই বা তার চেয়ে বড় তিন সৎ ভাই-বোনের সাথে সৎ মায়ের সংসারে তার ঠাই হলো। বাবা জাহাঙ্গীর ভরণপোষণের দায়িত্ব পালন করলেও জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেটে কলিকে নিজের সন্তান হিসেবে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকার করেছেন ।
 
গ্রামের একটি স্কুলে ভর্তি হয়ে দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করতে পারলেও এরপরই বাবা আর সৎমা মিলে তার স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেন। কলির বাম চোখের নিচে বেশ বড়সড় একটা আঘাতের চিহ্ন আছে। সেটা নিয়ে জিগ্যেস করলে কলি জানায় ছেলেবেলায় একবার চাচির বাসায় গিয়ে সৎমা ঠিকমত খেতে দেয় না এটা নিয়ে অভিযোগ করায় বাড়ি ফেরার পর বাবা আর সৎমা মিলে মারধর করে তাকে প্রায় আধমরা করে ফেলেন, সেখান থেকেই এই চিহ্নটি রয়ে গেছে। ৯ -১০ বছর বয়স যখন তার, তখন আর সৎমায়ের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে কলি মনে করে বাড়ি ছেড়ে চলে যাবে। চাচি আর ফুফুরা অনেক আদর করলেও তাদের কারো সামর্থ্য ছিলো না কলিকে নিজের কাছে নিয়ে লালনপালন করার।
 
বাড়ির কাছেই হাজীগঞ্জ রেলস্টেশনে একবার তার মতই কতগুলো মেয়েকে ট্রেনে চড়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করতে দেখে সেও উঠে পরে সেই ট্রেনে, সেই ছোট্ট বয়সেই ভাগ্যের হাতে নিজেকে সঁপে দিয়ে পাড়ি দেয় অজানার উদ্দেশ্যে। কমলাপুর আসার পর স্টেশনের অন্যান্য মেয়ে শিশুদের সাথে মিশে পথশিশুদের জন্য রুবি আপার শেল্টার তথা বাংলাদেশ সরকারের নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে পরিচালিত ‘অপরাজেয় বাংলাদেশ’ শেল্টার সম্পর্কে জানতে পারে। কমলাপুরে থাকার পুরোটা সময়ই কম-বেশি এই শেল্টার হোমে থাকা হয়েছে তার। মাঝে কিছুদিন কয়েকটা বাসায় কাজ নিলেও ঘংহন মারধরের স্বীকার হওয়ায় বেশিদিন থাকতে পারেনি। এখন অবশ্য শেল্টারে দুপুরে খাওয়ার জন্য গেলেও রাতে প্লাটফর্মেই অন্যান্য মেয়েদের সাথে ঘুমায়৷
 
পৃথিবীতে কলির সবচেয়ে প্রিয় মানুষ তার এক চাচাতো বোন, যে কলিকে সবচেয়ে বেশি আদর করে। আর কলির সৎবোন ২জনই ছোটবেলা থেকে তাকে কোলেপিঠে মানুষ করেছে বলে তাদের প্রতিও তার টান অনেক। এই বোনদের সাথে দেখা করার জন্যই এখনো মাঝে মাঝে চাঁদপুরে যাওয়া হয় কলির, তবে কলি যতই বড় হচ্ছে বাবা আর সৎমা তার বাড়িতে আসা ততই নেতিবাচকভাবে নিচ্ছেন, তাই কতদিন বোনদের সাথে সম্পর্ক রাখতে পারবে সেটা কলি জানে না। তাছাড়া বোনদের সবার বিয়েও হয়ে গেছে এখন।, সবাই যার যার সংসার নিয়ে ব্যস্ত।
 
এতোকিছুর পরেও কলি যথেষ্ট হাসিখুশি আর প্রাণোচ্ছ্বল এক কিশোরী। গত ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ মজার ইশকুলের ক্লাসে আসলে তার সাথে আমার আলাপের সুযোগ হয়। যেহেতু প্রায় ৮ বছর ধরে কমলাপুরে তার আসা-যাওয়া আছে, এর আগেও একদিন মজার ইশকুলে এসেছিলো বলে কলির মনে হয়, তবে সেটা অনেকদিন আগে। আমার কাছে কলির একটিই আবদার ছিল, সেটা হলো আমার সাথে একটা ছবি তুলবে, যেভাবে ২ জন বন্ধু মিলে ছবি তুলে৷ ক্লাস শেষে আমার নতুন এই বন্ধুটি আমার সাথে ঠিকই মনে করে একটি ছবি তুলে নিয়েছে।
 
 
কলির মতো পথে বেড়ে ওঠা মেয়েদের জীবন যে কতটা কঠিন সেটা কল্পনা করাটাও আমার পক্ষে ভীতিকর। নিজের প্রতিদিনকার জীবন-সংগ্রাম নিয়ে সে অবশ্য আমাকে খুব কমই বলেছে। তার এই পরিস্থিতিতেও জীবনের ভালো দিকগুলোর খুঁজে নিয়ে সেগুলোর প্রতিই মনোযোগ দেয়ার ক্ষমতা আমাকে বিস্মিত করেছে।
 
তার জীবনের একমাত্র স্বপ্ন এখন একটা গার্মেন্টসে চাকরি খুঁজে নিয়ে নিজের পায়ে দাঁড়ানো। তার কাছে সবচেয়ে খারাপ লাগে যখন সে দেখে ৮ বছর আগের কলির মত আজো অনেক বাচ্চা মেয়ে নানা কারণে পরিবার ছেড়ে সারা দেশ থেকে কমলাপুর এসে নামছে। ৮ বছর আগের সেই ছোট্ট মেয়েটি না জানলেও আজকের কলি খুব ভালো করেই জানে সৎমায়ের নরক-সম সংসার ছেড়ে পালাতে গিয়ে অন্য কোন নরকে এসে সে পড়েছিলো।
– অদ্বিতীয়া
Viqarunnisa school and college
1st Year / 2019
 
&
 
Reguler Volunteer ( Session 3, 2019 )
মজার ইশকুল :: Mojar School Komlapur
 
[ Disclaimer: এখানে মজার ইশকুলের বা স্বেচ্ছাসেবীর কোন বক্তব্য নেই, শিক্ষার্থীর বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। সত্য – মিথ্যা যাচাই করার কোন চেষ্টা মজার ইশকুল করেনি কারন মজার ইশকুল বিশ্বাস করে শিশুদের জীবনের গল্প শোনার তেমন কেউ নেই, সেহেতু আমরা তার কথাই মনোযোগ দিয়ে শুনি । ]

— — — —

সপ্তাহে শনি, সোম,মংগল বা বৃহস্পতিবার যে কোন একদিন যদি বিকাল ৩ টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত ফ্রি থাকেন, তাহলে খুব সহজেই নিয়মিত #স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে যুক্ত হতে পারেন মজার ইশকুল এর সাথে ।

#Be_Hero’s For Street Child and Apply Online for Regular Volunteer:
http://bit.ly/MojarSchoolVolunteer

গুগল ম্যাপে আমাদের অফিস – – https://goo.gl/maps/vwAGppxfDPo

প্রতি শনিবার – মজার ইশকুলঃ সদরঘাট
প্রতি সোমবার – মজার ইশকুলঃ শাহবাগ
প্রতি মঙ্গলবার – মজার ইশকুলঃ ধানমন্ডি
প্রতি বৃহস্পতিবার – মজার ইশকুলঃ কমলাপুর

Write a comment

One Comment